শাসন কাঠামো ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে ক্ষমতার ভারসম্য নিশ্চিতের দাবি গণসংহতির

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তন নয়, শাসন কাঠামো ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে ক্ষমতার ভারসম্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।

১৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হাতিরপুরে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির উদ্যোগে রাজনৈতিক সঙ্কট উত্তরণের রূপরেখা ও করণীয়; সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বৃহত্তর ঐক্য প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দলের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। লিখিত বক্তব্য উত্থাপন করেন দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। প্রশ্নত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন রাজনৈকি পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ তাসলিমা আখতার। উপস্থিত ছিলেন মনির উদ্দীন পাপ্পু, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, ফাল্গুনী সরকার, দীপক রায়, আলিফ দেওয়ান, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সঞ্চালনা করেন সম্পাদকমন্ডলীল সদস্য জুলহাসনাইন বাবু।

সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি বলেন, কেবলমাত্র একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারও বর্তমান সংকটের সমাধান দিতে পারবে না। আমাদের দরকার নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা দরকার। প্রথমত বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাজ হবে –

ক. রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন, একটি সুষ্ঠ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি এবং ইভিএম ব্যবস্থা বাতিল করে স্বচ্ছ ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করা।

খ. রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর অর্থ্যাৎ জবাবদিহিতাপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ গণতান্ত্রিক ক্ষমতা কাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরি করা যাতে পরবর্তী গ্রহণযোগ্য সংসদে এই সংস্কার সম্পন্ন করা যায়।

আগামী ৩টি জাতীয় নির্বাচন এইরকম অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরি যাতে করে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে আস্থা থাকে এবং কার্যকর প্রতিষ্ঠান তৈরি হওয়ার প্রয়োজনীয় সময় মেলে। এক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের কাঠামো প্রশ্নে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমের সাবেকী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মডেল বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে।

শেয়ার করুন :