মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী ছিলেন নির্ভেজাল দেশপ্রেমিক

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনী প্রধান, জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী বঙ্গবীর জেনারেল এম.এ.জি ওসমানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ১৬ ফেব্রুয়ারি ।

অসাধারণ মেধাবী ওসমানী ১৯৩৪ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাকে প্রাইটোরিয়া পুরস্কার প্রদান করে। ১৯৩৯ সালে এমএজি ওসমানী রয়েল আর্মড ফোর্স ক্যাডার হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৪২ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন এবং তৎকালীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সর্বকনিষ্ঠ মেজরের পদমর্যাদায় ভূষিত হন। ১৯৬৬ সালে অবসর নেওয়ার পর ১৯৭০ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি মুক্তিবাহিনীর সেনাপ্রধানের পদ গ্রহণ করেন। যুদ্ধ পরিচালনায় তিনি রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী সুসংগঠিতভাবে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেন।

গণফোরাম সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতীতে বলেন- জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী ছিলেন একজন নির্ভেজাল দেশপ্রেমিক। তার চৌকস নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ত্বরান্বিত হয়েছিল। সমগ্র বাঙালি জাতিকে একসাথে করে তিনি এক মহান সংগ্রামে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষকে এক সুতোয় বাধতে পেরেছিলেন বলেই আমরা আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। এই মহান বীরের ঋণ বাঙালি জাতি কোনদিনই শোধ করতে পারবে না। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক।

 

শেয়ার করুন :