৫ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে প্রধানমন্ত্রী’র বাণী

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন । ৪ ফেব্রুয়ারি তথ্য অধিদফতরের সৌজন্যে প্রধানমন্ত্রী’র বাণী তুলে ধরা হলো-

 “৫ ফেব্রুয়ারি-২০২২ ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

তথ্যপ্রযুক্তির অভাবিত উন্নয়ন-স্রোতে পরিবর্তনের নতুন ধারার বাস্তবায়নে উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গ্রন্থাগারের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করছে, পাশাপাশি গ্রন্থাগারগুলিকে ডিজিটালাইজেশনের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরসহ সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার-কে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-সম্বলিত এবং অত্যাধুনিক ও নান্দনিক গণগ্রন্থাগার ভবনে বাস্তবায়নের নিমিত্ত ‘গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক ‘দেশের লাইব্রেরিসমূহে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের কর্নার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মকে শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া এবং পাঠক, গবেষক, তথ্য আহরণকারী ব্যক্তিবর্গসহ সর্বসাধারণের কাছে গ্রন্থাগারের ভূমিকাকে আরও অধিক আকর্ষণীয় ও যুগোপযোগী করে তোলার জন্য দেশের এক হাজার সরকারি ও বেসরকারি গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন করা হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের মাধ্যমে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর বই নিয়ে প্রতিটি জেলার পাঠকের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে গেছে। গ্রন্থাগারের জনবলকে দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমাধিসৌধ গ্রন্থাগারটিকে একটি আধুনিক দৃষ্টিনন্দন গ্রন্থাগার হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। স্কুল পর্যায়ে লাইব্রেরি-ঘণ্টা চালুর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর পিতার স্মৃতি রক্ষার্থে ‘শেখ লুৎফর রহমান গ্রন্থাগার ও গবেষণা কেন্দ্র’ নামে একটি অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী চট্টগ্রামে ‘চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স’ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।

‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উদ্যাপন গ্রন্থাগার ব্যবহারে দেশের মানুষকে আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলায় সহযোগী ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

আমি ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২২’ -এর সকল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

শেয়ার করুন :