প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অভিনন্দন

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (বঙ্গবন্ধু গবেষণা) ২০২১ প্রাপ্ত হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু প্রফেসরিয়াল ফেলো, জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ চেয়ার প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।

প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ
প্রফেসর ড. মশিউর রহমান

সোমবার ২৪ জানুয়ারি এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ একজন একাগ্রচিত্ত গবেষক ও শিক্ষক। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ড. রশিদের অনেক গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে, যা দেশে ও বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত।’ বাংলা একাডেমির মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এমন সম্মানজনক পুরস্কার তাঁর প্রাপ্য ছিল বলে মনে করেন উপাচার্য।

উপাচার্য বলেন, ‘এবার প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু গবেষণায় পুরস্কার প্রবর্তন করে বাংলা একাডেমি। আর প্রথমবারের এই পুরস্কার ড. রশিদের পালকে যুক্ত হওয়ায় এটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এমন স্বীকৃতি কাজের প্রতি যে অনুরাগ সেটি আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আমার গভীর বিশ্বাস।’

উপাচার্য আরও বলেন, ড. হারুন-অর-রশিদ গবেষণা কর্মজীবনে বহু গ্রন্থ ও গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে মূল প্রতিপাদ্য করে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ এর যে কর্মপ্রয়াস এবং তাঁর প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ ও গবেষণা প্রবন্ধসমূহ রয়েছে, সেগুলো বর্তমান গবেষক ও আগামী প্রজন্মকে জ্ঞান অন্বেষণে সহায়তা করবে বলে উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর উপর গবেষণারত থাকা অবস্থাই অধ্যাপক রশিদ বাংলা একাডেমি কর্তৃক পুরস্কারপ্রাপ্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে একজন নিবিষ্টচিত্ত গবেষক আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবেন বলেও মনে করেন উপাচার্য।

উপাচার্য অভিনন্দন বার্তায় তাঁর ব্যক্তিগত ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। ড. রশিদ ভবিষ্যতে আরও অনেক গবেষণাকর্ম জাতিকে উপহার দেবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য। পাশাপাশি তিনি বিশিষ্ট এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘজীবন ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

শেয়ার করুন :