অতিমারিতে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা

লেঃ কর্ণেল নাজমুল হুদা খান

গত দু’বছর ধরে বিশ্ববাসী যুদ্ধ করে যাচ্ছে অদৃশ্য করোনা অতিমারির বিরুদ্ধে। বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬৮ কোটি, মৃতের সংখ্যা ৫৩ লাখ। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখের কাছাকাছি; মৃত্যু ঘটেছে ২৮ হাজারের বেশী। অনেকটাই অপরিচিত এ অতিমারির মুখোমুখি হয়ে পৃথিবীর অন্যতম উন্নত দেশসমূহের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ অতিমারি মোকাবেলায় হাসপাতাল সমুহের দক্ষতা ও সক্ষমতায় ঘাটতি; স্বাস্থ্য কর্মীর অপর্যাপ্ততা, স্বাস্থ্য সেবায় ব্যবহৃত লজিষ্টিকস সরবরাহে অপ্রতূলতা ইত্যাদির কারণে সারা বিশ্বকে হিমশিম খেতে হয়েছে। উপরন্তু কোভিড-১৯ যুদ্ধে লিপ্ত থাকা এবং এ খাতে বিশালাকার বাজেট বরাদ্দের আবশ্যকতার কারণে বৈশ্বিক অন্যান্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও অনেকটা অবহেলিত থেকে গেছে।

বাংলাদেশের শহর ও গ্রামীন বহু হাসপাতাল শুধুমাত্র কোভিড-১৯ রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। ফলে অন্যান্য রোগীরা সাধারণ ও অতি প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বৈশ্বিক এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ১২ই ডিসেম্বর পালিত হয়েছে বিশ্ব সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা দিবস-২০২১। ‘খবধাব হড় ড়হব’ং যবধষঃয নবযরহফ: ওহাবংঃ রহ যবধষঃয ংুংঃবসং ভড়ৎ ধষষ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বের সকল দেশে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্ব নেতৃবৃন্ধ ও বিশ্ববাসীকে এ কর্মসূচীকে সফল করতে এগিয়ে আসতে আহবান জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন যে, ২০০০ সালে ১৮৯ টি দেশের নেতৃবৃন্ধ গউএ বা সহ¯্ব্ধ উন্নয়ন লক্ষমাত্রায় শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, মাতৃ স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগ প্রতিরোধসহ ৮ টি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ২০১৫ সালের মধ্যে তা বাস্তবায়নে সূচক নির্ধারণ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ সভায় ১৭ টি লক্ষ্য নির্বাচন করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়। তন্মদ্ধে স্বাস্ত্য বিষয়ক লক্ষমাত্রাকে বলা হয় ঝউএ-৩: এড়ড়ফ যবধষঃয ধহফ বিষষ-নবরহম।

এ কর্মসূচীকে সফল করতে ১৩ টি টার্গেটের অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় অপযরবাব ঁহরাবৎংধষ যবধষঃয পড়াবৎধমব বা সার্বজনীন স্বাস্থ্যেসবা নিশ্চিত করন কর্মসূচী। যাতে বিশ্ববাসীর আর্থিক ঝুঁকি নিরাময়ের মাধ্যমে সকল প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা; নিরাপদ, কার্যকরী, উন্নত ও সুলভমূল্যে ঔষধ এবং ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। এ সার্বজনীন স্বাস্ত্য সেবা নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববাসীর মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াসে জাতিসংঘ ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ই ডিসেম্বর তারিখে সারাবিশ্বে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহন করে।

এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘চৎড়ঃবপঃ ধহফ রহাবংঃ যবধষঃয ধহফ পধৎব ড়িৎশবৎং’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবারের লক্ষ্যমাত্রায় ৩০০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। একশ কোটি মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানো, একশ কোটি মানুষকে জরূরী সেবা ও সুরক্ষা প্রদান এবং অপর একশ কোটি মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য বিনির্মানে ভূমিকা রাখতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপী সার্বজীন স্বাস্থ্য সেবাকে সফল করতে ৪ টি ক্যাটাগরীতে ১৬ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবাকে চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত; প্রজনন, মা, শিশু ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সেবার গ্রুপে-পরিবার পরিকল্পনা , গর্ভবতী ও প্রসব পরবর্তী মায়ের যতœ, শিশুকে প্রতিষেধক ভ্যাকসিন প্রদান এবং নিউমোনিয়া চিকিৎসা গ্রহনে সচেতন করে তোলা। দ্বিতীয়ত; সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা উপদলে- যক্ষা, এইডস, ম্যালেরিয়া এবং রোগ প্রতিরোধে স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদার। তৃতীয়ত; অসংক্রামক রোগ শ্রেনীতে- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, জরায়ুর ক্যান্সার এবং ধুমপান জনিত রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা। চতুর্থত; সেবা সক্ষমতা বৃদ্ধি অধ্যায়ে- হাসপাতালের সেবার পরিধি বৃদ্ধি , স্বাস্থ্য কর্মীর সংখ্যা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় ঔষধপত্রের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করন।

তবে গত দু’বছর ধরে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিশ্বের সকল দেশের মনোযোগ, এ রোগ প্রতিরোধ চিকিৎসায় বিশাল বাজেট বরাদ্দ ও খরচ এবং জীবনযাত্রার সকল পর্যায়ে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করায় দরিদ্র, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতো বটেই, উন্নত দেশ গুলোও সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হিমশিম খাচ্ছে। বলা যায়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে টেকসই লক্ষ্যমাত্রা মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে বহু দেশে। এ অতিমারি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার প্রতি, দক্ষ জনবল ও সরবরাহ ঘাটতি ছিল সারা বিশ্বে। তাই মৃত্যুর হার বৃদ্ধি সহ নানামূখী প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখী হতে হয়েছে প্রথম থেকেই। পরবর্তীতে উন্নত বিশ্বে চাহিদা মাফিক জনশক্তি, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা গেলেও অধিকাংশ দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের দেশে বিদ্যমান সম্পদ দিয়ে এ অতিমারিকে ঠেকাতে পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পরও ভ্যাকসিন প্রাপ্তি ও সরবরাহ পর্যাপ্ততায় উন্নত দেশের বিপরীতে উন্নয়নশীল দেশসমূহের চিত্রে ভিন্নতা পরিলক্ষিত দেয়। উপরন্তু করোনা ভাইরাসের ঘন ঘন ধরন পরিবর্তনের কারনে যুদ্ধটি দীর্ঘায়িত হতে থাকে। ফলে কোভিড-১৯ এর স্বল্প মেয়াদী প্রভাবকে কোনমতে রোধ করা গেলেও অর্থনীতি, জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্যের অন্যান্য খাতে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রোধে দীর্ঘ সময় ব্যয় হবে তাতে সন্দেহ নেই। এর প্রভাব সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবার পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে তা অনেকটাই নিশ্চিত।

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ অতিমারি মোকাবেলার প্রথম থেকেই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা গাইডলাইন অনুসরনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা, মাস্কের ব্যবহার, চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, হাত ধোঁয়া, পরিছন্নতা ও জীবানুনাশক ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহন করে। পাশাপাশি নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে ও হাসপাতাল সমূহের সক্ষমতা যথাঃ আইসিইউ বেড বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পিপিই সরবরাহ, টেস্টিং যন্ত্র ও কীট সরবরাহে সর্বশক্তি নিয়োগ করে; ফলে আক্রান্ত ও মৃত্যর হার নিয়ন্ত্রনে সফলতা লাভ সক্ষম হয়। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পরও বিভিন্ন উৎস থেকে বিশ্বসেরা ফাইজার, মডার্না, এস্ট্রোজেনিকা ও সিনোফার্ম ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও সর্বস্তরের সাধারনের মাঝে প্রয়োগ করা হয় এবং অদ্যাবধী প্রায় ৫ কোটি প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ২ লাখ শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।

তবে করোনা অতিমারিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও সামলাতে হয়েছে অতিমারি প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার সংকট। স্বাস্থ্য কর্মীর অপ্রতুলতা, পর্যাপ্ত ও কার্যকরী পিপিইর ঘাটতি, কোভিড-১৯ রোগ নির্নয়ের যন্ত্রপাতির অভাব, আইসিইউ সুবিধা ও সংশ্লিষ্ট ঔষধপত্রের অপর্যাপ্ততার মতো কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ফলে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে সার্বজীন স্বাস্থ্য সেবার সূচক সমূহ অর্জনে বেগ পেতে হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ গত এক যুগ ব্যাপী সার্বজীন স্বাস্থ্য সেবায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে। শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস এবং তথ্য প্রযুক্তির সফল ব্যবহারের জন্য ২০১০ সালে জাতিসংঘের ৬৫ তম অধিবেশনে বাংলাদেশ বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে। তথাপীও প্রায় ৬৫ ভাগ মানুষ অদ্যাবধী জরুরী ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রাপ্তির প্রয়োজনে নিজের অর্জিত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের মতে, বাংলাদেশে দক্ষিন এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় শ্রেয়তর স্বাস্থ্য অবকাঠামো রয়েছে, যথাঃ- ৫০০ টি উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র, পাঁচ হাজার ইউনিয়ন সাবসেন্টার এবং ১৩ হাজারের অধিক কমিউনিটি ক্লিনিক মাঠ পর্যায় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছে। আমাদের দেশের ৫ বছরের নীচে শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগের হার বৃদ্ধি এবং যক্ষা ও এইডস রোগ নিয়ন্ত্রনে অগ্রগতি করোনা অতিমারিতেও উল্লেখযোগ্য অর্জন। উপরš‘ আমাদের মাত মৃত্যুর হার ৭৫% হ্রাস পেয়েছে, শিশু মৃত্যুর হার অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং গড় আয়ু আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়েও এগিয়ে ।

করোনা অতিমারির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বহু সংকট ও ঘাটতির মধ্যেও সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা খাতে অনেক ক্ষেত্রে ইতিবাচক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতিমারি প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা, পরিছন্ন জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহনের অভ্যাসের কারনে অন্যান্য সংক্রামক রোগের বিস্তার কমেছে। করোনার কো-মর্বিডিটির কারনে করোনা রোগের তীব্রতা ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার জন্য অসংক্রামক রোগ ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। অতিমারি মোকাবেলায় গৃহিত সকল পদক্ষেপের কারনে দেশের স্বাস্থ্য কাঠামো, জনশক্তি ও সংক্রামক রোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে, বহুদিন যাবত ঝিঁমিয়ে পড়া ভ্যাক্সিন প্রযুক্তি ও উৎপাদন খাত উন্নত ও অগ্রসর হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নিয়োজিত সরকারী, বেসরকারী, এনজিও সহ সকল সংস্থাগুলো আরো বেশী কার্যকর ও সুসংহত হয়েছে। এসব অগ্রগতি সকল দেশে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে। এ অগ্রগতি সমূহের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবায় সফলতা আনয়নে কাজে লাগাতে হবে।

টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রায় স্বাস্থ্য বিষয়ক এসডিজি-৩ সুস্থ বিশ্ব বিনির্মানের পূর্বশর্ত। এর ১৩ টি টার্গেটে সফলতা আনয়নে যে সূচক নির্ধারন করা হয়েছে, তা নিম্ন আয়ের এবং উন্নয়নশীল দেশ সমূহের জন্য দুরূহ বটে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের পূর্ব শর্ত এটি সারা বিশ্বের নেতৃবৃন্ধ নিজ নিজ দেশ এবং সর্বোপরী সুস্থ ও শান্তিপূর্ন বিশ্ব গঠনে একমত হয়েছেন। সুতরাং বৈশ্বিক করোনা অতিমারিকে পরাস্ত করেও সার্বজীন স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

এজন্য দেশের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ব্যবস্থাপনাকে শাক্তিশালী করন, নিয়ন্ত্রন সংস্থাগুলোকে আরো বেশী কার্যকর ও জবাবদিহীর আওতায় আনা, স্বাস্থ্যখাতে ভূমিকা পালনকারী সকল সংস্থার যথাযথ সমন্বয় গঠন, দেশের স্বাস্থ ব্যবস্থাকে শক্ত ভিতে দাড় করানো, সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের যথাযথ ব্যবহার, রোগ প্রতিরোধ খাতের কার্যক্রমকে জোরদারকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিকেন্দ্রিকরন পদ্ধতিকে কার্যকরী করা, সকলকে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ে সচেতন করে তোলা, স্বাস্থ সেবা খাতে সকল পর্যায়ে সামাজিক সম্পদ ও উৎস সমূহকে কাজে লাগানো এবং সার্বজনীন স্বাস্থ সেবা উন্নয়নে প্রতিনিয়ত গবেষনা করা এবং গবেষনালব্ধ তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে দেশের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।

লেঃ কর্ণেল নাজমুল হুদা খান
এমফিল, এমপিএইচ
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ
সহকারী পরিচালক, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুর্মিটোলা, ঢাকা

শেয়ার করুন :