সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের আয়োজনে স্বাধীনতাযুদ্ধের ধারণকৃত দুর্লভ ছবিসমূহের প্রদর্শনী

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা

একাডেমীতে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন ধারণকৃত দুর্লভ ছবিসমূহের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের আয়োজনে ও নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় “স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন ধারণকৃত দুর্লভ ছবিসমূহের প্রদর্শনী’ এর উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, জনাব ড. হাছান মাহমুদ, এমপি।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এর জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারী-১ এ ২৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার  এই চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। খবর আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)

 উদ্বোধনের পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চিত্র প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন। এসময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেঃ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, বিশ¡বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ, বিশিষ্ট অভিনেতা, নাট্যজন, লেখক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন বাঙ্গালীর বীরত্বের গৌরব উজ্জল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের নিকট তুলে ধরতেই এই চিত্র প্রদর্শনীয় আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি তার ভাষণে বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলার মুক্তিকামী মানুষের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা মিলে সমন্বিত আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জন্ম নেয় আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের পর ১৬ ডিসেম্বর  ১৯৭১ অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্খিত বিজয়। সশস্ত্র বাহিনীর অসংখ্য বীর সদস্যসহ লাখো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা। তিনি আশা করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে একতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা আমরা অর্জন করেছি তা এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে যাবে।

এছাড়া এই চিত্র প্রদর্শনী মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের গুনাবলি এবং আদর্শ ও তার সংগ্রামের কথা নতুন প্রজন্মদের মাঝে তুলে ধরবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত গৌরবগাথা আজকের ও আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে উঠে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবার অনুপ্রেরণা। নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে ভবিষ্যতে দেশকে সামনে এগিয়ে যাবার নেতৃত্ব প্রদান করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চিত্র প্রদর্শনীটি ২৫-২৭ নভেম্বর ২০২১ প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

 

আরও পড়ুন :

রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে অতীতের বীরত্বগাঁথা স্মরণ করতে হয়

শেয়ার করুন :