চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের করোনা চিকিৎসায় বিনামূল্যে অক্সিজেন ব্যাংক উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক, পরিচালক ও শিল্পীবৃন্দ আয়োজিত আলোচনা সভা ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের করোনা চিকিৎসায় বিনামূল্যে অক্সিজেন ব্যাংক উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ আগস্ট বুধবার।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক, পরিচালক ও শিল্পীবৃন্দ আয়োজিত আলোচনা সভা ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের করোনা চিকিৎসায় বিনামূল্যে অক্সিজেন ব্যাংক উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি । ছবি তথ্য অধিদফতর থেকে সরবরাহকৃত।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিচালক ও পরিবেশক খোরশেদ আলম খসরু‘র সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা শিউলি আজাদ, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন এবং চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব আব্দুল লতিফ বাচ্চু, শাহ আলম কিরণ, মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রনায়িকা মৌসুমী, চিত্রনায়ক ওমর সানি, অনন্ত জলিল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, চিত্রনায়িকা নিপুণ এবং বর্ষা ।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন,  ‘আজকে জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে খোরশেদ আলম খসরু, অনন্ত জলিল, মশিউর রহমান, চুন্নু ভাই, মৌসুমী, ওমর সানীসহ চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্যরা এই অক্সিজেন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সেজন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। কারণ এই করোনা মহামারির মধ্যে আজকে যেভাবে সমস্ত পৃথিবী স্তব্ধ হয়েছে এবং সবাই অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছে যে, মানুষ ছোট একটি আণুবীক্ষণিক জীবাণুর কাছে কত অসহায়। এই অসহায়ত্বটা এমন যে, অনেক অর্থবিত্তও কোনো কাজে আসছে না। এই সময়ে যারা অপরের জন্য সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছেন, তাদের প্রতি আমি একজন নাগরিক হিসেবে সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাই। এটি জনহিতকর কাজ এবং জনগণকে সাহায্য করার কাজে বাধা দেবার কিছু নেই।’

ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে করোনার টিকা দিবেন। ইতিমধ্যেই প্রায় দুই কোটি মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যার নির্দেশে আমাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা করোনার মধ্যে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবং সেই পাশে দাঁড়াতে গিয়ে আমাদের সংসদীয় দলের ১৩০ জনের বেশি সংসদ সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এতো মৃত্যু জাতীয় সংসদে কখনো কেউ দেখেনি। ৮১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির পাঁচজন মৃত্যুবরণ করেছেন। মন্ত্রিসভার প্রায় অর্ধেক সদস্য একবার কিম্বা দু’বার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আমি দু’বার করোনা আক্রান্ত হয়েছি। কিন্তু আমি করোনার মধ্যে একদিনও ঘরে বসে থাকিনি, একদিনও না।’

শেয়ার করুন :