লকডাউনের অজুহাতে শ্রমিক ছাটাই বন্ধের আহবান

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : করোনায় লকডাউনের অজুহাতে শ্রমিক ছাটাই বন্ধ ও বেতন বোনাস না কর্তনসহ সকল গারমেনট কারখানায় করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা ও পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর আহবান জানিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমনটি জানানো হয়েছে। 

গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় ৭ এপ্রিল বুধবার রাজধানীর পল্টনস্থ বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়কারী শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম সবুজ।

সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির নেতা এ্যাড মাহবুবুর রহমান ইসমাইল, তাসলিমা আক্তার লিমা, শামীম ইমাম, প্রকাশ দত্ত,  এ এ এম ফয়েজ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, বিপ্লব ভট্টাচার্য প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

আলোচনায় নেতৃবৃন্দ বলেন- গত বছর গার্মেন্টস মালিকরা সরকারের কাছ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা পাওয়ার পরও বেতন বোনাস পরিশোধ না করেই কয়েক লক্ষ শ্রমিক ছাটাই করেছিল। এ বছরও সেই অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। 

নেতৃবৃন্দ বলেন- আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই করোনা/লকডাউনের অজুহাতে কোন শ্রমিক ছাটাই করা চলবে না। সামনে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর। এই সময়ে শ্রমিক ছাটাই বা বেতন বোনাস কর্তনের হটকারী সিদ্ধান্ত নিলে সম্ভাব্য শ্রম অসন্তোষ ও উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য মালিক পক্ষ এবং সরকারকেই তার দায়ভার নিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি গার্মেন্ট কারখানায় করোনা টেস্ট বুথ স্থাপন করে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন শ্রমিকের করোনা টেস্ট করাতে হবে। কোন শ্রমিক করোনাক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার দায়দায়িত্ব মালিক পক্ষকেই নিতে হবে। 

দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক উর্ধগতি তে, নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জীবন যাপন কঠিনতর হয়ে গেছে। এ অবস্থায় গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য আর্মি রেটে পূর্ণ রেশনিং এর ব্যবস্থা চালু করার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

 

শেয়ার করুন :