সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

আকাশছোঁয়া ডেস্ক : সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয় ।

সাবেক মন্ত্রী ও সংগঠনের উপদেষ্টা এম. নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ডা. বংশীধর মিশ্র।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ ইসলামী প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল কাইয়ুর মালিকজাদ, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব কাজী রিয়াজুল হক।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট আবুল হাশেম, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী,  ঢাকা মহানগরের সভাপতি সাবেক জেলা প্রশাসক মুহিবুল হোসেইন, সংগঠনের সহ-সভাপতি যথাক্রমে খান মো: বাবুল, আব্দুল কাইয়ুম, মজিবুর রহমান, ড. আজাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক রবিউল ইসলাম, মো: কাউছার মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদীকা সাজেদা খানম পাপিয়া, সংগঠনের খিলক্ষেত থানা শাখা সভাপতি মো: মাসুদ রানা, মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি হারুন আল রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর রেজা অলিভার, পল্লবী থানার সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী মিয়া প্রমুখ।

প্রধান অতিথি নেপালের রাষ্ট্রদূত ডা. বংশীধর মিশ্র বলেন, ‘সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে যদি সার্ক সদর দপ্তর এ সংগঠনটিকে সহযোগীতা করে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সাথে নেপাল সহ সার্ক দেশসমূহের সম্পর্ক উন্নয়নে এ সংগঠন সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারবে।’

আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল কাইয়ুর মালিকজাদ বলেন, ‘মুসলিম দেশ হিসেবে আফগানিস্তানে বহু ভাষ্কর্য রয়েছে যা ঐতিহ্যের ধারকবাহক হিসেবে আমরা বুঝি বিশ্বাস করি, শতভাগ মুসলিম দেশ হিসেবে আফগানিস্তানের আলেম-ওলামারা ভাষ্কর্য বিরোধী নয়। বাংলাদেশ আফগানিস্তানের অকৃত্রিম বন্ধু। স্বাধীনতার পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আফগানিস্তানের জনগণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান চাউল ত্রাণ সহায়তা হিসেবে পাঠিয়েছিলেন যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

বক্তারা বলেন, তথ্য প্রযুক্তির অবাধ যোগাযোগের সুবাদে মানবাধিকার লংঘন সহ যে কোন পরিস্থিতির চিত্র বা তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে যায়। বিশ্বে যারা মানবাধিকারের মোড়ল তাদের হাতেই অধিক মানবতা ভুলন্টিত হয়। দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিটি নাগরিককে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। যে জাতি সচেতন হয় তাদের অধিকার কেউ হরণ করে ছাড় পায় না। স্বাধীনতার পর হতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। তবে অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ভালো।

 

শেয়ার করুন :